আমাদের বাউফলবগা

নগরহাটের জামাল ও বনফুল মিষ্টি ঘরে নোংরা ও অসাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি

 

এম.জাফরান হারুন:

পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার ১৪নং নওমালা ইউপির প্রানকেন্দ্র নগরের হাট। দুরদুরান্ত থেকে আসে সাধারণ জনগণ ওই হাটে বাজার করার জন্য। প্রতিদিনই থাকে জাকজমক ওই হাট। হাটটি মোটামুটি বড়সড় হল  হলেও ওই হাটে মাত্র দুইটি মিষ্টির ঘর। সেখান থেকেই ওই এলাকার সাধারণ জনগণ মিষ্টি নিয়ে যেকোন ভালো শুভ কাজে কিংবা আত্মীয় স্বজনের বাড়ি বেড়াতে আসে। তা যদি হয় পচা, বাসি, মাছি, দুর্গন্ধ। তখন তা মানসম্মান যাওয়ার পথে। দেখা দেয় পেটে অসুখ। এই পচা, বাসি, মাছি, দুর্গন্ধ ও অপরিস্কার অপরিচ্ছন্ন নিয়ে মিষ্টির ব্যবসা করে আসছেন উপজেলার নগরেরহাটে “জামাল মিষ্টি ঘর ও নিউ বনফুল মিষ্টান্ন ভান্ডার”।

এঘরে মিষ্টির পাশাপাশি নাস্তা হিসেবে প্রতিদিন সিংগারা, ছামুছা, নিমকি, দই বানানো হয়। একটু ক্ষুধা দেখা দিলেই সাধারণ জনগণ আসে নাস্তা করার জন্য। ঘরের হালচাল দেখে নাক চোখ বুজে তড়িঘড়ি করে নাস্তা শেষ করে চলে আসে তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, মিষ্টি ঘরের অবস্থা খুবই নাজেহাল। যেখানে মিষ্টি তৈরি করা হয়। তা আরও নাজেহাল। পচা শিরাদ্বারা মিষ্টি তৈরি। দুর্গন্ধময় ঘর। এসময় মোটরসাইকেল চালক, অটোগাড়ি চালক ও স্থানীয় সাধারণ জনগণ জানান, আমাদের ক্ষুধা দেখা দিলেই ওই ঘরে যাই নাস্তা করার জন্য।

অপরিস্কার অপরিচ্ছন্ন টেবিল চেয়ার ঘর। দুর্গন্ধে ভরপুর। মাছি ভনভন করছে খাবারের উপর। কি করব আর পেটে ক্ষুধা তাই নাক চোখ বুজে খেয়ে চলে আসি। আমরা বিভিন্ন ভালো শুভ কাজে মিষ্টি নেই। তা পচা বাসি মাছিযুক্ত মিষ্টি প্যাকেট করে দেয়। পরে খুলে দেখি তা।

এই ভাবে আমাদের সাধারণ জনগণকে ওরা ঠকাচ্ছে। আমরা সবাই প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষন করছি। ওদের প্রতি ব্যবস্থা নেয়া হোক।

এপ্রসঙ্গে অভিযুক্ত মিষ্টি ঘরের মালিক মোহাম্মদ জামাল হোসেন ও বিজয় কৃষ্ণ সরকার জানান, সত্যি এটা আমাদের অন্যায়! আমরা এগুলো গুছিয়ে নেব।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পিজুস চন্দ্র দে বলেন, অতি শীঘ্রই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *