আমাদের বাউফলবাউফলের ইউনিয়ন

এবার বিএনপি নেতার বুকে লাথি মারার অভিযোগ শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে!

বাউফল প্রতিদিন: 

সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদার কর্তৃক বাউফল উপজেলা বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক ও বাউফল ইউনিয়ন বিএনপি সহ-সভাপতি আব্দুল মালেক শারীরিকভাবে নির্যাতিত ও লাঞ্ছিত হয়েছেন।

গত মঙ্গলবার ঢাকা সদরঘাটে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সংস্কারপন্থী হিসেবে বহিষ্কৃত হয়ে দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পরে ২৫ অক্টোবর কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে দেখা করে মূলধারায় ফিরে আসেন শহিদুল আলম তালুকদার।

বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতাদের সাথে দেখা করার পর গত মঙ্গলবার বাউফলের উদ্দেশ্যে যাত্রার জন্য সদরঘাট পৌঁছলে দলীয় নেতা, কর্মীরা তার সাথে সেখানে সাক্ষাত করতে যান। সেখানে বাউফল উপজেলা বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক ও বাউফল ইউনিয়ন বিএনপি সহ-সভাপতি আব্দুল মালেককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন শহিদুল আলম তালুকদার।

যা তাৎক্ষনিক উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। পরবর্তীতে ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে বাউফলের সাধারণ মানুষ এবং বিএনপি নেতা-কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বাউফল বিএনপির নেতা আবদুল মালেক বাউফল প্রতিদিনকে বলেন, প্রথম যখন শহিদুল আলম এমপি হয় বাউফলে তখন আমি নতুন বিয়া করি। আমার শশুর বাড়ি থেকে একটি স্বর্নের চেইন দিয়েছিলো আমি সেটা বিক্রি করে বিএনপির জন্য শহিদুল আলমের জন্য প্রচার প্রচারনা চালিয়েছিলাম। অনেক ত্যাগ শিকার করেছি দলের জন্য আজও ত্যাগ শিকার করতেছি। সেদিন শহিদুল আলমের সাথে লঞ্চের কেবিনে দেখা হওয়ার পরে সে আমাকে অখাদ্য ভাষায় গালাগালি দেয়। আমি মুনির ভাইয়ের রাজনীতি করছি কেন? এটাই আমার দোষ। আমার বুকে জোরে লাথি দিয়েছে। থাপ্পর মেরেছে। আমার মা কে মুখে আনা যায় না এমন ভাষায় গালাগালি করেছে। আমি কার জন্য কি করলাম। আমি আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম।

বাউফল বিএনপির কয়েক নেতা নাম না জানানোর শর্তে বাউফল প্রতিদিনকে বলেন, দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পরে দলে ফিরতে না ফিরতে্ই দলীয় নেতাদের সাথে যে অস্বাভাবিক ও অমানবিক আচরণ করেছেন তা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। তার এহেন ঘৃণ্য মানসিকতা বহি:প্রকাশে তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য এর আগেও নিজহাতে সাংবাদিক ও থানার ওসিকে পিটিয়ে সারাদেশে সমালোচিত হোন বিএনপির এই সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদার।

ঘটনার সত্যতা জানতে সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম কে ফোন করা হলে তিনি বাউফল প্রতিদিনকে বলেন, আমি তো আবদুল মালেক নামের কাউকে চিনিই না। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *