আমাদের বাউফলব্রেকিং নিউজ

বাউফলে প্রতারণা ও হয়রানির জাল বুনেছে পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স

মো: বিল্লাল;নিজস্ব প্রতিবেদক, বাউফল প্রতিদিন//

ভয়ংকর প্রতারণা ও হয়রানীর জাল বুনেছে পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স। পল্লী এলাকার সাধারণ মানুষদের একটাই স্বপ্ন ঘর্মাক্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত অর্থের কিছুটা সঞ্চয়। স্বল্প সঞ্চয়ে অধিক মুনাফার লালসা দেখালো পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ে দিল কোম্পানির কর্মী নিয়োগ।

এদের কাজ ছিলো গ্রামের অসহায় খেটে খাওয়া পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকে অল্প আয়ে অধিক মুনাফার ডিপিএস করানো লোভ দেখানো। সপ্তাহে একদিন কিস্তির নাম করে কর্মীরা টাকা উঠাতো। কখনো রশিদ দিতো কখনো বা দিতোনা। রশিদ চাইলেও বলতো বিশ্বাশ রাখেন ভয় নাই একসাথে উঠিয়ে দেব। সাধারন মানুষের বিশ্বাশ বেশি আর খেসারতো দিতে হয় বেশি। পাঁচ বছর মেয়াদি ডিপিএস কিস্তি প্রদান শেষ হবার সাথে সাথেই বই গুলো গ্রাহকের কাছ থেকে কৌশলে নিয়ে নেয় কর্মীরা। গ্রাহকের কাছে কোন প্রমানোই রাখেনি এরা। এর পরেই শুরু আসল নাটকের। গ্রাহকরা কর্মীর বারিতে তাদের মেয়াদোত্তীর্ণ টাকা ওঠানোর জন্য ঘুরতে থাকে মাসের পর মাস এমনকি বছরও পেরিয়ে যায়। অথচ ডিপিএসের টাকা মেয়াদ শেষ হবার সাথে সাথে দেয়ার কথা।

এমনি প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে বাউফল ইউনিয়নের গোসীংগার চৌকিদার বারির শহীদ (পদবী- ম্যানেজার) ও বরবারির আউয়ালের বোউ ( মাঠকর্মী) এর বীরুদ্ধে।

তদন্তে জানা গেছে এরা গ্রাহকের টাকা নিলেও ঠিকমত দেননি জমা, খরচ করেছেন নিজেদের প্রয়োজনে। প্রায় বছর ঘনিয়ে এসেছে কিন্তু গ্রাহকরা পাচ্ছে না ডিপিএস এর টাকা। এমনি প্রতারণার শিকার মোসা: হালিমা/ শাহ আলম মৃধা, মোস্তাফিজুর রহমান সনেট, মো: হারুন, মো: খলিল, মোসা: শাহিনুর প্রমুখ ।

এরা সবাই বাউফল ইউনিয়নের দুই নং ওয়ার্ড গোসীংখার জনগণ। প্রতি ইউনিয়নের প্রতি ওয়ার্ডেই একোই সমস্যা বিদ্যমান। এটা নীরব ব্যাধির মতো অবস্থা। ভয়ে এতদিন কেউ মুখ খুলেনি যদি কষ্টের সঞ্চয় ফেরত না পাওয়া যায় এই ভয়ে। গোসীংগার সকল গ্রাহক এখন সংঘবদ্ধ হয়েছে ইউএনও বরাবর লিখিত দিতে। তাই তারা স্বাহ্মর সংগ্রহ করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *