আমাদের বাউফলরাজনীতি

বাউফলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে চান রাসেল

সংসদীয় পটুয়াখালী-২ (বাউফল) অঞ্চলের সাধারণ মানুষের বিপদে আশার আলো জনবান্ধব আওয়ামী লীগ নেতা জোবায়দুল হক রাসেল। সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এলাকার জনগণের জীবন-মান উন্নয়নে একাধারে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সর্বদা জনগণের ডাকে সারা দিয়ে নিরলস কাজ করাকেই নিজের দায়িত্ব মনে করছেন এই তরুণ নেতা।

শিশুটিকে কোলে নিয়ে তার শারীরিক খোঁজ-খবর নেন জোবায়দুল হক রাসেল

নদী-বান্ধব এ অঞ্চলের জেলে পরিবারগুলোর কাছে রাসেল অনেক পরিচিত এবং আপনজন। জেলেদের বিপদ-আপদে প্রতিনিয়ত যে মানুষটিকে হাতের নাগালে খুঁজে পান তিনি হলেন এই রাসেল। বাউফলে ধনী, গরিব এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এক মেলবন্ধন তৈরি করেছেন রাসেল।

বছরের শুরুতে সরকারের পক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রীদের দেয়া হয় বই আর রাসেলের পক্ষ থেকে অসহায় ছাত্রছাত্রীদের দেয়া হয় স্কুল ড্রেস। অসহায় কন্যাগ্রস্ত বাবা-মায়ের কাছে একমাত্র ভরসাই রাসেল। অসুস্থ রোগীকে নিজ পরিবারের সদস্য মনে করে তার চিকিৎসায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি। এছাড়া এলাকার উন্নয়ন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার খরচসহ সব রকম সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন জনহিতৈষী রাসেল।

বৃদ্ধার কুশলাদি জিজ্ঞেস করছেন রাসেল

ছোটবেলা থেকে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পরিবারকে দেখেছেন রাসেল। ফলে বাবার আদর্শ সামনে রেখে তিনিও প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষের পাশে থেকে নীরবে কাজ করে চলেছেন। রাখছেন নিজের উদারতার প্রমাণও। এলাকার অসহায় জেলে পরিবারের দুঃখ-দুর্দশায় সর্বদা নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন তিনি। প্রতিনিয়ত বাড়িয়ে দিচ্ছেন সহযোগিতার হাত। এটাকে তিনি দায়িত্ব বলে মনে করেন।

নিজের সংসদীয় আসনের প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড; এমনকি গ্রামও তার নখদর্পণে রয়েছে। এলাকার জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন রাসেল।

আগামীতে এ আসনের উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেন এই তরুণ নেতা। জনগণকে পাশে নিয়ে এলাকার রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, চিকিৎসাসেবা, শিক্ষার মান, মানুষের জীবন-মান উন্নয়নে কাজ করে যেতে চান রাসেল।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী জোবায়দুল হক রাসেল

বাউফল এলাকার কয়েকজন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাউফলের সাধারণ মানুষের প্রাণ এই রাসেল। তরুণদের সব রকম কাজে উৎসাহ উদ্দীপনা জোগান তিনি। সমাজের বিত্তবানদের অবহেলা থাকলেও তাদের নিজের পরিবারের সদস্যই মনে করেন রাসেল।

প্রতিনিয়ত খোঁজ-খবর, আর্থিক সহযোগিতা করে আসছেন তিনি। বিশেষ করে জেলে পরিবারের পাশে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেকে দাঁড় করিয়েছেন। বাউফলে ধনী-গরিবের ভেদাভেদ ভুলে একত্রে পথ চলা শিখিয়েছেন এই তরুণ নেতা।

তবে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে জোবায়দুল হক রাসেল বলেন, আমি বাউফলের সন্তান। বাউফলের প্রতিটি মানুষ আমার আপনজন। তারা প্রত্যেকেই আমার পরিবারের সদস্য। আর পরিবারের সদস্যরা বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব। আমি এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আমার দায়িত্ব পালন করি। এ দায়িত্ব সারাজীবনই পালন করবো। এলাকার উন্নয়নে প্রতিনিয়ত নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *