আমাদের পটুয়াখালী

নাঈমুল ইসলাম খানের হাতে ও মুখে যাদু আছে:রবিউল আলম

আমার লেখক জীবনের পুর্ণজনম হয়েছিল আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার মাধ্যমে। বাংলার বানী পত্রিকা বন্দ হয়ে যাওয়া পরে আর কোথাও মন বসে নাই । মাঝে মাঝে ইত্তেফাক, খবর, রূপালী, জনকন্ঠ সহ অনেক পত্রিকায় লিখেছি, কিন্তু নিয়মিত নয়।

একটি দির্ঘ বিরতির পর স্বাহ্মাতকারের মাধ্যমে, আমাদের অর্থনীতি পত্রিকায় লেখা শুরু করি।

নাঈমুল ইসলাম খানের হাতে ও মুখে কি যাদু আছে জানিনা। আমাদের অর্থনীতি পাঠকের হাতে হাতে, মুখে মুখে আসতে সময় নিল না। ছোট ছোট লেখা, গুনি জনদের স্বাহ্মাতকার, রাজনৈতিক আলোচনা মাধ্যমে অর্থনীতি পত্রিকা আলোচিত হয়ে উঠে।

একজাক তরুন ও অভিজ্ঞতা ভরা সাংবাদিক নিয়ে পথ চলা শুরু। প্রতিদিন তাদের নিয়ে মত বিনিময় করেন। পাঠক কি চায়। কি চায় আমাদের রাজনীতি। কি ভাবে আমরা জয় করবো এ দেশের মানুষের মন। কবিতা, সিনেমা, খেলাধুলা পাঠকের চাহিদার কি শেষ আছে। সম্পদকের ভাবনার বিষয় এত কম টাকায়, এত বড় বড় পত্রিকার সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা, পাঠকের চাহিদা পুরন করা।

সাংবাদিকদের অর্থনিতিক সহযোগিতা। সব কিছু মিলিয়ে চলতে হবে আমাদেরকে। দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার নাম ছিল বাদা। নামের বিরম্বনা থেকে মুক্তির লহ্মে দৈনিক আমাদের নতুন সময় নামে আর একটি পত্রিকা বের করা হয়। নাঈম ভাই এর আমাদের সময় নামের সাথে যে আত্মার সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল।

সেখান থেকে আজও মুক্ত হতে পারে নাই মনে হয়। কিন্তু আমাদের অর্থনীতি পত্রিকা পাঠক ও ছাড়তে পারে নাই। দির্ঘদিন ভাবী নাসিমা খান ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়ীত্ব পালন করেন অত্যন্ত সফলতার সাথে বিশ্বজিত দার সাথে। আজ ভাবীকে ভার মুক্ত করে সম্পাদকের দায়ীত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা আনন্দিত, মুক্ত বিহঙ্গ শুরু করেছি পথ চলা। কি শিখলাম, নাঈম ভাই আমাদেরকে কি শিখালো। পরিহ্মা দেওয়া সুযোগ করে দিয়েছে। পাঠক আমাদের নতুন সময়, আমাদের অর্থনীতির মাঝেই সিমাবদ্ধ। না কি আরো কোনো বড় পত্রিকার সাথে হবে, সময় বলে দিবে। আমাদেরকে অপেহ্মা করতে হবে।

আমার লেখক জীবনের পুর্ণজনম হয়েছিল আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার মাধ্যমে। বাংলার বানী পত্রিকা বন্দ হয়ে যাওয়া পরে আর কোথাও মন বসে নাই । মাঝে মাঝে ইত্তেফাক, খবর, রূপালী, জনকন্ঠ সহ অনেক পত্রিকায় লিখেছি, কিন্তু নিয়মিত নয়। একটি দির্ঘ বিরতির পর স্বাহ্মাতকারের মাধ্যমে, আমাদের অর্থনীতি পত্রিকায় লেখা শুরু করি।

নাঈমুল ইসলাম খানের হাতে ও মুখে কি যাদু আছে জানিনা। আমাদের অর্থনীতি পাঠকের হাতে হাতে, মুখে মুখে আসতে সময় নিল না। ছোট ছোট লেখা, গুনি জনদের স্বাহ্মাতকার, রাজনৈতিক আলোচনা মাধ্যমে অর্থনীতি পত্রিকা আলোচিত হয়ে উঠে।

একজাক তরুন ও অভিজ্ঞতা ভরা সাংবাদিক নিয়ে পথ চলা শুরু। প্রতিদিন তাদের নিয়ে মত বিনিময় করেন। পাঠক কি চায়। কি চায় আমাদের রাজনীতি। কি ভাবে আমরা জয় করবো এ দেশের মানুষের মন। কবিতা, সিনেমা, খেলাধুলা পাঠকের চাহিদার কি শেষ আছে। সম্পদকের ভাবনার বিষয় এত কম টাকায়, এত বড় বড় পত্রিকার সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা, পাঠকের চাহিদা পুরন করা। সাংবাদিকদের অর্থনিতিক সহযোগিতা। সব কিছু মিলিয়ে চলতে হবে আমাদেরকে।

দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার নাম ছিল বাদা। নামের বিরম্বনা থেকে মুক্তির লহ্মে দৈনিক আমাদের নতুন সময় নামে আর একটি পত্রিকা বের করা হয়। নাঈম ভাই এর আমাদের সময় নামের সাথে যে আত্মার সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে আজও মুক্ত হতে পারে নাই মনে হয়। কিন্তু আমাদের অর্থনীতি পত্রিকা পাঠক ও ছাড়তে পারে নাই। দির্ঘদিন ভাবী নাসিমা খান ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়ীত্ব পালন করেন অত্যন্ত সফলতার সাথে বিশ্বজিত দার সাথে।

আজ ভাবীকে ভার মুক্ত করে সম্পাদকের দায়ীত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা আনন্দিত, মুক্ত বিহঙ্গ শুরু করেছি পথ চলা। কি শিখলাম, নাঈম ভাই আমাদেরকে কি শিখালো। পরিহ্মা দেওয়া সুযোগ করে দিয়েছে। পাঠক আমাদের নতুন সময়, আমাদের অর্থনীতির মাঝেই সিমাবদ্ধ। না কি আরো কোনো বড় পত্রিকার সাথে হবে, সময় বলে দিবে। আমাদেরকে অপেহ্মা করতে হবে।

লেখকঃমহাসচিব বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *