বাংলাদেশ

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে কোটা বাতিল

সরকারি চাকুরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কোটা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। তবে, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে কোটা পদ্ধতি আগের মতই বহাল থাকছে।

বুধবার (৩ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এসব তথ্য জানান, মন্ত্রি পরিষদ সচিব শফিউল আলম। তিনি জানান, কয়েকদিনের মধ্যেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে (৯ম থেকে ১৩ তম গ্রেড) কোনো কোটা না রাখার সুপারিশ করে কোটা পর্যালোচনায় গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভার ব্রিফিংয়ে কমিটির প্রধান ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম জানান, ওই গ্রেড পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধতি পুরোপুরি বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। তবে ১৪ থেকে ২০ গ্রেড পর্যন্ত চাকরিতে কোটা রাখার সুপারিশ করা হয়েছে বলে এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বিষয়ে তিনি জানান, তাদের বেলায় কোটা না হলেও সমস্যা হবে না। সরকার চাইলে তাদেরকে কোটা দিতে পারবে।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার চেয়ে নিয়মিত আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে শাহবাগে অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দিনভর অবস্থানে শাহবাগ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের হটিয়ে দিতে পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়লে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহবাগ এলাকায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *