পাঁচমিশালী

রাস্তায় যখন হস্তমৈথুনের সঙ্গী নাই

বাসের সিটে পাশে মহিলা পেলে কনুই দিয়ে গুঁতো দেওয়া অথবা গোপন অংগে হাত দিয়ে হস্ত মৈথুন করা একটা বর্তমান ট্রেইনে পরিণত হয়েছে।

রাস্তায় যখন হস্তমৈথুনের সঙ্গী নাই
রাস্তায় যখন হস্তমৈথুনের সঙ্গী নাই

বাসে মাত্রাতিরিক্ত ভীড়ের কারণে এই চাপ চুপচাপ সহ্য করতে হয় প্রায় নারী যাত্রীদের। বিরাট নারীবাদী বা নারী অধিকারের যুগ নাকি চলছে, তবু ভদ্র চেহারা ধারী এই সব কখনো ভাল আদুরে স্বামী, লক্ষ্মী ভাই বা আদর্শবাদী বাবা অথবা আলাভোলা ভাই এরা এই সকল কাজ করেই চলেছে বাসের চিপাচুপা দিয়ে।

তাদের যদি সাবধানও করা হয় তারা বিরাট অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। এই মহিলা পাগল নাকি এরাম একটা ভাব। আর যে নারী কিছুটা আর্তচিৎকার করে এটা বলে পাবলিক প্লেসে তখন সবাই বিরক্ত হয়ে নারীদের দিকেই তাকায়। ভাবটা এমন বইন্যা আঁন্নে কিয়্যারে চিপার সীটে বইলেন! আরে বাবা নারীদের সংরক্ষিত ৫/৬টা সিট অনেক আগেই ব্লক থাকে। তারাও চায় বাড়ি ফিরতে নাকি বলবেন হায় খোদা এতো তাড়া কেন। সব পুরুষ আগে বাড়ি ফিরুক তারপর এক সময় লাগলে বাড়ি ফিরবেন না লাগলে না ফিরলেন।

দাঁড়িয়ে থেকেও তো নারীদের শান্তি দিচ্ছে না কিছু নপুংসক। তাদের গোপন অংগ দিয়ে ঘষা মারা অথবা সিটে বসা নারীকেই দাঁড়িয়ে ঐচ্ছিক যাঁতা মারা চলছেই। প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী এই বিপদের মুখে বাড়ি ফিরেন।

প্রাচীন একটা নাটকীয় হাস্যকর ডায়ালগ আছে,

“ওই তোর মা বোন নাই!” হাহাহা কিন্তু এই নরকের কীটদের অবস্থা এমন যে, মা, বোন, কন্যা সবই আছে। কিন্তু রাস্তায় হস্তমৈথুনের তো সংগী নাই। কিত্তাম। তাই আমি ভদ্র লেবাস ধইর‍্যা কাম সারি।

আরো মজার হলো, এরা ধরা খেলে বউকে বা জিএফ কে কল দিয়ে এতো আহ্লাদিত গলায় বলে, এই তুমি কই? আহা সে কত মিস করছে! যাক হারামী গুলোর কথায় না যাই। আমি ফিরে আসি অসহায় নারীদের কথায়। এই মারাত্মক বিপদ থেকে রক্ষা পাবার উপায় কি কারো জানা আছে? থাকলে জানাবেন! আর নিজে ভাল থাকুন আর ভালো রাখুন! এটাতে আপনার টাকা খরচ হবে না লাগবে শুধুই মূল্যবান মূল্যবোধ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *