রাজনীতি

উগ্রতা-ভুয়া কন্টেন্ট তৈরিতে সুবিধাভোগীরা জড়িত : হানিফ

উগ্রতা ও ভুয়া কন্টেন্ট তৈরি বা সন্ত্রাসে ইসলাম, মুসলিম, ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কওমী মাদরাসা কোনোভাবেই জড়িত নয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, এসবের পেছনে রাজনৈতিক সুবিধাভোগীরা জড়িত।

হানিফ বলেন, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর রামু, উখিয়ায় ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে এবং কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে গুজব ছড়িয়ে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা হয়েছে। এর পেছনে রাজনৈতিক সমর্থন ও সহযোগিতা ছিল। লন্ডন থেকেও এর জন্য ফোন এসেছে।

তিনি বলেন, মাদরাসা ছাত্ররা কোনো উগ্রবাদী দল বা কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়। জামায়াতসহ বিভিন্ন দল যারা উগ্র কর্মকাণ্ডের পর রাজনৈতিক সুবিধা পাবে, তারাই এতে জড়িত।

মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে তিনি বলেন, যে কেউ তার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করে মত প্রকাশ করতেই পারে। তবে নাম পরিচয় গোপন করে ভুয়া আইডি থেকে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছাড়াতে পারে না। যদি কেউ এটা করে, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। এমন বাক স্বাধীনতা আমরা চাই না, যেটা সমাজে হানাহানি সৃষ্টি করে। এমন গণতন্ত্র আমরা চাই না, যেটা গণতন্ত্রের নামে মানুষ পোড়ানোর মত ঘটনার সৃষ্টি করে।

সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে হানিফ বলেন, আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকা উচিত। সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ব্যবহারে আরও সচেতন হওয়া উচিত। তবে এর নেগেটিভ প্রভাবও জানা দরকার।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন যোগাযোগ সহজ করেছে। তেমনি পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধাবোধও কমিয়ে দিয়েছে।

ড. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসান। আলোচনায় অংশ নেন কানাডিয়ান হাইকমিশনার বিনয় প্রিপনটেইন, সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার অধ্যাপক গোলাম রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা মাওলানা আলতাফ হোসাইন, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, বিএনপির নেতা ব্যরিস্টার সারোয়ার, আওয়ামী লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, হুমায়ূন কবির, অজয় দাস গুপ্ত প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *